প্রকৃতিতে কখনো কখনো ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের চারপাশে অদৃশ্য ভাইরাসের আনাগোনা বেড়ে যায়। হাম, জ্বর বা বিভিন্ন সংক্রামক ব্যাধি অনেক সময় আমাদের স্বাভাবিক জীবনকে থমকে দেয়। কেননা অসুস্থতা জীবনের এক কঠিন পরীক্ষা। তাই এই সময়ে শরীরের চিকিৎসার পাশাপাশি মনের প্রশান্তি ও আধ্যাত্মিক শক্তি অত্যন্ত জরুরি।
বিশেষ করে হাম বা বসন্তের মতো ভাইরাসজনিত রোগগুলো যখন আক্রমণ করে, তখন আমরা প্রায়ই শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়ি। তাইতো মহানবী (সা.) শিখিয়েছেন এমন কিছু শক্তিশালী দোয়া, যা সরাসরি আরশের অধিপতির কাছে আমাদের আর্জি পৌঁছে দেয়। যখন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, তখন মহান আল্লাহর এই ঘোষণা—‘আমিই নিরাময়কারী’—আমাদের মনে জোগায় অদম্য সাহস। ইরশাদ হয়েছে,
اللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ مُذْهِبَ الْبَاسِ اشْفِ أَنْتَ الشَّافِي لاَ شَافِيَ إِلاَّ أَنْتَ شِفَاءً لاَ يُغَادِرُ سَقَمًا
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা রাব্বান-নাসি, মুজহিবাল বাসি, ইশফি আনতাশ-শাফি, লা শাফিয়া ইল্লা আনতা শিফায়ান লা ইয়ুগাদিরু সাকামা।
) (সহিহ বুখারি, হাদিস নং : ৫৭৪২)
অর্থ : হে আল্লাহ! আপনি মানুষের রব, রোগ নিরাময়কারী। (আপনি) আরোগ্য দান করুন, আপনি আরোগ্য দানকারী। আপনি ছাড়া আর কেউ আরোগ্য দানকারী নেই। এমন আরোগ্য দান করুন, যা কোনো রোগ অবশিষ্ট রাখে না।
ভাইরাসজনিত যেকোনো শারীরিক কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে এবং পূর্ণাঙ্গ সুস্থতা বা ‘শিফায়ে কামেলা’ লাভে অত্যন্ত কার্যকর ও বরকতময় একটি আমল হলো এই মাসনুন দোয়াটি। তবে মনে রাখা উচিত, ইসলামে অসুস্থ হলে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং ওষুধ সেবন করা সুন্নত। আর সেই ওষুধের কার্যকারিতার জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করা হলো ঈমানের দাবি। সুস্থতা ও অসুস্থতা—উভয় অবস্থাতেই মহান আল্লাহর ওপর ভরসা রাখাই একজন প্রকৃত মুমিনের বৈশিষ্ট।
আপনার মোবাইল দিয়ে এই QR কোডটি স্ক্যান করে বিস্তারিত খবরটি অনলাইনে পড়ুন।
https://bortomankhabor.com/2026/04/09/historyculture/newsid-7584/© বর্তমান খবর | প্রিন্ট/ডাউনলোড: ২৮-১০-২০২৬, ০২:৪৮ অপরাহ্ণ