সকল মেনু

সারাদেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলছে

সারাদেশে আজ মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। সকাল ১০টায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে একযোগে এই পরীক্ষা শুরু হয়।

দেশের ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে একযোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রায় ৩০ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নিচ্ছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে এ বছরের পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যা চলবে আগামী ২০ মে পর্যন্ত। এবারের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী, যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। ২০২৫ সালে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৯ লাখ ৩৬ হাজারের বেশি।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দুই বছর আগে নিবন্ধন করা প্রায় সাড়ে চার লাখ শিক্ষার্থী এবার পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে না। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই প্রথম বড় পাবলিক পরীক্ষা হওয়ায় বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

নির্ধারিত রুটিন অনুযায়ী, প্রতিদিন সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। লিখিত পরীক্ষা শেষে আগামী ৭ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ১৮ জুনের মধ্যে হাতে লেখা নম্বরপত্র, ব্যবহারিক উত্তরপত্র, আনুষঙ্গিক কাগজপত্র ও স্বাক্ষরলিপি বিভাগ অনুযায়ী রোল নম্বরের ক্রমানুসারে সাজিয়ে হাতে হাতে মাধ্যমিক পরীক্ষা শাখায় জমা দিতে হবে।

এদিকে ১৮ এপ্রিল যানজট ও জনদুর্ভোগ লাঘবের জন্য এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে সাড়ে আটটা থেকে প্রবেশের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পূর্বে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে।

গতকাল সোমবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পরীক্ষার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। এই সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন উপস্থিত ছিলেন।

মাহদী আমিন বর্তমানে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন। এবারের পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রীর সংখ্যা ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন।

সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩১৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে, যার মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ৬৭ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৭ লাখ ৫১ হাজার ৯৩ জন।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় ৩ লাখ ৩ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। সারাদেশে মোট ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রের মাধ্যমে ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষায় বসেছে। দাখিল পরীক্ষার জন্য ৭৪২টি এবং কারিগরি পরীক্ষার জন্য ৬৫৩টি কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে।

ফন্ট সাইজ:
0Shares

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

TOP
SECURITY ALERT
🛡️
“কেরানীগঞ্জের কণ্ঠ”
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। এটি একটি AI ভিত্তিক কনটেন্ট প্রোটেক্ট সিস্টেম যা আপনার কার্যকলাপ মনিটর করছে। ভবিষ্যতে অনুমতি ছাড়া কপি করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে।