সকল মেনু

কর্মবিরতির ঘোষণা টালিউড শিল্পীদের, অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ শুটিং

টালিউড অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকস্মিক মৃত্যুকে ঘিরে শোক ও ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা ইন্ডাস্ট্রি। ঘটনার প্রতিবাদে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে শিল্পী ও কলাকুশলীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য শুটিং বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে খবর আনন্দবাজার অনলাইনের।

শনিবার বিকেলে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানান টালিপাড়ার একঝাঁক তারকা। এরপর প্রয়াত রাহুলের স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার তালসারি থানায় মামলা করেন।

একই সঙ্গে আর্টিস্ট ফোরামের পক্ষ থেকেও অভিযোগ জানানো হয়।
রবিবার (৫ এপ্রিল) বিকেলে ফের একজোট হন শিল্পীরা। এদিন উপস্থিত ছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, যিশু সেনগুপ্ত, অঞ্জনা বসু, রূপাঞ্জনা মিত্র, বিদীপ্তা চক্রবর্তীসহ আরো অনেকে।

আর্টিস্ট ফোরামের পক্ষ থেকে শান্তিলাল মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘রাহুলের পরিবারের পাশে আমরা ছিলাম, আছি এবং থাকব।

তবে এখন সবচেয়ে জরুরি আমাদের সবার নিরাপত্তা। তাই অনির্দিষ্ট কালের জন্য শুটিং বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
তিনি জানান, আর্টিস্ট ফোরামের প্রায় চার হাজার সদস্য, ফেডারেশনের সাত হাজার টেকনিশিয়ান এবং অন্য কলাকুশলীদের সম্মিলিত সিদ্ধান্তেই এই কর্মবিরতি।

এরপর বললেন, ‘নিরাপত্তার জন্য এবং আমাদের সবার জীবন রক্ষার জন্য এই লড়াই শুরু হল।

আমাদের নিরাপত্তাহীনতা রয়েছে। আমরা শুটিংয়ে বেরোচ্ছি। কিন্তু ফিরতে পারব কি না বুঝতে পারি না। রাহুল আমাদের শিখিয়ে দিয়ে গেছে। তাই মঙ্গলবার সকাল থেকে আমরা কর্মবিরতি পালন করব।

’, যোগ করেন তিনি।
ফেডারেশনের পক্ষ থেকে স্বরূপ বিশ্বাস বলেন, শিল্পী ও কলাকুশলীদের কাজের প্রয়োজনে প্রায়ই ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় যেতে হয় যেমন- নদী, সমুদ্র কিংবা পাহাড়ে।

‘সবাই জীবন ঝুঁকি নিয়েই কাজ করেন। কিন্তু নিরাপত্তার দায় কেউ নিচ্ছে না’, বলেছেন তিনি।

একই সুরে কথা বলেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ও। তাঁর দাবি, শুটিংয়ের সময় সবার জন্য বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

এদিকে, প্রতিটি শুটিং সেটে অ্যাম্বুল্যান্স রাখার দাবিও উঠেছে। রাহুলের মৃত্যুকে সামনে রেখে শিল্পীরা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, এবার শুধু বিচার নয়, নিজেদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে চান তারা।

এ সময় ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত বলেন, ‘রাহুল আমাদের ছেড়ে চলে গেল। ওর জন্য আমরা শেষ পর্যন্ত লড়ব। ওর মৃত্যু আমাদের একটাই প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়েছে, আমরা কি আদৌ নিরাপদ?’

সব মিলিয়ে, একদিকে প্রিয় সহকর্মীকে হারানোর বেদনা, অন্যদিকে নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ, এই দুইয়ের মধ্যেই টালিপাড়া এখন আন্দোলিত।

 

ফন্ট সাইজ:
0Shares

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

TOP
SECURITY ALERT
🛡️
“কেরানীগঞ্জের কণ্ঠ”
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। এটি একটি AI ভিত্তিক কনটেন্ট প্রোটেক্ট সিস্টেম যা আপনার কার্যকলাপ মনিটর করছে। ভবিষ্যতে অনুমতি ছাড়া কপি করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে।