সকল মেনু

ইরানকে আটকাতে বেপরোয়া ট্রাম্প

ইরানকে চারদিক থেকে কৌশলগতভাবে চাপে ফেলতে ক্রমেই জোরদার পদক্ষেপ নিচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামরিক হামলা, মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে হুমকি এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক চাপÑ সব মিলিয়ে তেহরানকে কার্যত ঘিরে ফেলতে চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন। এর মধ্যেই খারগ দ্বীপে হামলা, উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি, বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা এবং হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। সংঘাতের এই ক্রমবর্ধমান উত্তাপে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধের পরিধি বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা যেমন বাড়ছে, তেমনি অস্থির হয়ে উঠছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারও।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ তৃতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। সংঘাত এখন শুধু ইরান বা ইসরায়েলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে ইরাক, লেবানন, পারস্য উপসাগর এবং উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতেও।

যুক্তরাষ্ট্রের সেনা মোতায়েন

সংঘাত বাড়তে থাকায় মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছে যুক্তরাষ্ট্র। জাপানের ওকিনাওয়া থেকে ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের প্রায় ২,৫০০ সদস্য রওনা দিয়েছেন। তাদের সঙ্গে রয়েছে উভচর যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ত্রিপোলি। এ যুদ্ধজাহাজ থেকেই মেরিন সেনারা সরাসরি রণক্ষেত্রে নামবেন। কোনো সংকট মোকাবিলা কিংবা ইরানের কোনো অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার প্রয়োজনে তাদের ব্যবহার করা হতে পারে। এই মেরিন সেনারাই হতে পারেন চলমান সংঘাতে মোতায়েন হওয়া প্রথম মার্কিন স্থলসেনা।

এর মধ্য দিয়ে এটি স্পষ্ট হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধে ধীরে ধীরে তাদের সামরিক শক্তিবৃদ্ধি করছে এবং খুব দ্রুত এ যুদ্ধ শেষ করার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।

ইরানি নেতাদের ধরিয়ে দিলে পুরস্কার

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এবং ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে ধরিয়ে দিতে ১ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ কর্মসূচির আওতায় এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। কর্মসূচিটির এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই ব্যক্তিরা ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ডের বিভিন্ন অংশের নেতৃত্ব দেন ও পরিচালনা করেন; যারা বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা, সংগঠন এবং বাস্তবায়ন করেন।’ বিবৃতিতে আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিসহ কয়েকজন নেতার ছবি প্রকাশ করা হয়। বলা হয়, এই নেতাদের বা আইআরজিসির অন্য গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের বিষয়ে তথ্য দিলে তথ্যদানকারী পুনর্বাসনের সুযোগ পাবেন এবং আর্থিক পুরস্কারও পেতে পারেন।

খারগ দ্বীপে হামলা, তেল রপ্তানি অব্যাহত

ইরানের উপকূলবর্তী গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পরও সেখান থেকে তেল রপ্তানি কার্যক্রম চালু রয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান। দেশটির এক কর্মকর্তা বলেছেন, দ্বীপে তেল কোম্পানিগুলোর কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই চলছে।

খারগ দ্বীপ থেকেই ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্র সতর্ক করে বলেছে, ইরান যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়া অব্যাহত রাখে, তাহলে দ্বীপটির তেল অবকাঠামোও হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, খারগ দ্বীপে চালানো হামলায় ইরানের সব সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়েছে। তিনি হামলার একটি ভিডিওও প্রকাশ করেছেন।

হরমুজ প্রণালি পার হলো ভারতগামী জাহাজ

সংঘাতের মধ্যেও ইরানের অনুমতি পেয়ে ভারতগামী দুটি এলপিজিবাহী জাহাজ নিরাপদে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। ভারতের বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জলপথবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব রাজেশ কুমার সিনহা জানিয়েছেন, ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ দুটি গতকাল শনিবার সকালে প্রণালি পার হয়ে দেশের পশ্চিমাঞ্চলের বন্দরের দিকে রওনা দিয়েছে।

এর আগে ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ফথালি জানান, ইরান কয়েকটি ভারতীয় জাহাজকে নিরাপদে প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি দিয়েছে।

ইরানি তেল ইউয়ানে বিক্রির পরিকল্পনা

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের একচ্ছত্র আধিপত্য কমাতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহনের ক্ষেত্রে ডলারের বদলে চীনা মুদ্রা ইউয়ানে লেনদেনের পরিকল্পনা করছে তেহরান। গতকাল শনিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এ পরিকল্পনার কথা জানান।

ইরানি কর্মকর্তার ভাষ্যমতে, তেহরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে নির্দিষ্ট কিছু তেলবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়ার কথা ভাবছে। তবে এক্ষেত্রে একটি বড় শর্তজুড়ে দেওয়া হবে; আর তা হলো তেলের দাম পরিশোধ করতে হবে চীনা মুদ্রা ইউয়ানে।

হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া অস্থিরতায় বিশ্ববাজারে জ¦ালানি তেলের দাম এখন সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। ২০২২ সালের জুলাই মাসে তেলের দাম যে পর্যায়ে ছিল, বর্তমান পরিস্থিতি তাকেও ছাপিয়ে গেছে। এতে করে বৈশ্বিক শেয়ারবাজার এবং জ¦ালানি খাতে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

মূলত জ¦ালানি বাণিজ্যে ডলারের প্রভাব কমিয়ে চীনের ইউয়ানকে প্রতিষ্ঠিত করার এ চেষ্টা সফল হলে, বৈশ্বিক অর্থনীতির সমীকরণে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সৌদি ঘাঁটিতে ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন উড়োজাহাজ

সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচটি রিফুয়েলিং উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। উড়োজাহাজগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি এবং বর্তমানে সেগুলোর মেরামতের কাজ চলছে। হামলায় কেউ নিহত হয়নি।

এর আগে ইরাকে একটি মার্কিন কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটোট্যাংকার উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে ছয়জন ক্রু নিহত হন। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড বলেছে, উড়োজাহাজটি শত্রুপক্ষের গুলিতে ভূপাতিত হয়নি। তবে ইরাকের ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স নামের একটি গোষ্ঠী দাবি করেছে, তারা এটি ভূপাতিত করেছে।

কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটোট্যাংকার প্রায় ছয় দশক ধরে মার্কিন বিমানবাহিনীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি

ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌপ্রধান অ্যাডমিরাল আলিরেজা তাংসিরি দাবি করেছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি, বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে একাধিক দফায় হামলা চালানো হয়েছে।

তার দাবি অনুযায়ী, এসব হামলায় প্যাট্রিয়ট রাডার ব্যবস্থা, যুদ্ধবিমান এবং যুদ্ধবিমানের জ্বালানি সংরক্ষণ ট্যাংক লক্ষ্যবস্তু করা হয়। হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া ঘাঁটির মধ্যে আবুধাবির আল-দাফরা এবং বাহরাইনের শেখ ইসা ঘাঁটির নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা

ইরাকের রাজধানী বাগদাদের কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত গ্রিন জোনে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। নিরাপত্তা সূত্র বলছে, দূতাবাস প্রাঙ্গণের হেলিপ্যাড এলাকায় একটি ড্রোন আঘাত হানে।

এ ঘটনার কিছুক্ষণ আগে ইরান-সমর্থিত দুই যোদ্ধা নিহত হওয়ার খবর আসে। দূতাবাসটি অতীতেও ইরানপন্থি গোষ্ঠীগুলোর রকেট ও ড্রোন হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।

হামাসের আহ্বান

ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস ইরানকে আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু না করে। গতকাল শনিবার এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে, তবে আঞ্চলিক সংঘাত যেন আরও বিস্তৃত না হয়।

ইসরায়েল ও ইরানে পাল্টাপাল্টি হামলা

ইসরায়েলের তেল আবিবসহ মধ্যাঞ্চলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর সতর্ক সাইরেন বেজে ওঠে। হামলায় কয়েকটি স্থানে আগুন ধরে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে ইসরায়েলের হামলায় ইরানের রাজধানী তেহরান, কারাজ ও ইস্পাহানে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তেহরানে একটি হাসপাতালের কাছাকাছি এলাকায় শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

বেসামরিক হতাহত

ইরানের পশ্চিমাঞ্চলীয় ইলাম প্রদেশের আইভান শহরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ছয় মাস বয়সী এক শিশুসহ একই পরিবারের ছয়জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইরানি গণমাধ্যম।

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলেও ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১২ জন চিকিৎসাকর্মী নিহত হয়েছেন। পৃথক আরেক হামলায় দুই প্যারামেডিক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

হিজবুল্লাহর রকেট হামলা

লেবানন সীমান্তবর্তী ইসরায়েলের আপার গ্যালিলি অঞ্চলে হিজবুল্লাহর রকেট হামলায় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। মধ্য ও দক্ষিণ ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকাতেও হামলার ঘটনা ঘটে।

বেন গুরিয়েন বিমানবন্দরের কাছের শহর শোহামে একটি ভবনে আগুন ধরে গেলে অন্তত ৩০ বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য

যুদ্ধ কবে শেষ হবে- এ প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘যখন আমি ভেতর থেকে অনুভব করব।’ তার সাবেক দূত এলিয়ট আব্রামস মনে করছেন, এক বা দুই সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের ঘোষণা আসতে পারে।

তেলের বাজারে উদ্বেগ

বিশেষজ্ঞদের মতে, খারগ দ্বীপে হামলা এবং হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা বৈশ্বিক তেলের বাজারে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে।

মার্কিন সেনাবাহিনীর সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মার্ক কিমিট সতর্ক করে বলেছেন, ইরানের তেল অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হলে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য জ্বালানি স্থাপনাতেও পাল্টা হামলা হতে পারে। এতে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।

ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রলের দাম বেড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত মজুদ থেকে ১৭ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প।

রাশিয়ার সহায়তার অভিযোগ

ট্রাম্প দাবি করেছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন সম্ভবত ইরানকে কিছুটা সহায়তা করছেন। মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়া হয়তো মার্কিন সামরিক জাহাজ ও উড়োজাহাজের অবস্থানসংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্য ইরানের সঙ্গে ভাগাভাগি করছে।

বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখতে যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে বলেও জানা গেছে।

ফন্ট সাইজ:
0Shares

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

TOP
SECURITY ALERT
🛡️
“কেরানীগঞ্জের কণ্ঠ”
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। এটি একটি AI ভিত্তিক কনটেন্ট প্রোটেক্ট সিস্টেম যা আপনার কার্যকলাপ মনিটর করছে। ভবিষ্যতে অনুমতি ছাড়া কপি করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে।