সকল মেনু

সিলেট থেকে শুরু, ঢাকায় সমাপ্ত: তারেক রহমানের ১৯ দিনের নির্বাচনি সফর

সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার শুরু করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ২২ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচার শুরুর দিন থেকেই তিনি দলীয় বার্তা নিয়ে শহর থেকে গ্রাম, প্রান্তর থেকে লোকালয়ে সফর করেন। টানা ১৯ দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৪৩টি নির্বাচনি জনসভা ও পথসভায় বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারম্যান।

এসব কর্মসূচিতে তিনি দেশবাসীর প্রতি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে দেশ পরিচালনায় নিজের পরিকল্পনা তুলে ধরেন এবং অঞ্চলভিত্তিক বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন মরহুমা খালেদা জিয়াও প্রতিবার সিলেটে মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে নির্বাচনি প্রচার শুরু করতেন। সেই ঐতিহ্য অনুসরণ করে প্রথমবারের মতো তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির নির্বাচনি প্রচার সিলেট থেকেই শুরু হয়। ১৯ দিনের নির্বাচনি সফরের অধিকাংশ কর্মসূচিতে তার সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। জনসভাগুলোতে তিনি ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করার মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের রাজনৈতিক সমর্থন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

নির্বাচনি প্রচারের প্রথম দিন ২২ জানুয়ারি সাতটি জনসভায় বক্তব্য দেন তারেক রহমান। প্রথম জনসভা অনুষ্ঠিত হয় সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসার মাঠে। এরপর পর্যায়ক্রমে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জে নির্বাচনি প্রচার চালান তিনি। ২৩ জানুয়ারি বিকেলে নিজ নির্বাচনি এলাকা ঢাকা-১৭ আসনের ভাষানটেক বিআরবি ময়দানে জনসভায় অংশ নেন। ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ডে নির্বাচনি প্রচারে যোগ দেন বিএনপি চেয়ারম্যান। সেখান থেকে ঢাকায় ফেরার পথে ফেনী, কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জে জনসভায় বক্তব্য রাখেন।

একদিন বিরতির পর ২৭ জানুয়ারি ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে নির্বাচনি প্রচার শুরু করেন তারেক রহমান। সেখান থেকে ফেরার পথে গাজীপুরে জনসভা শেষে ঢাকার উত্তরায় নির্বাচনি সমাবেশে যোগ দেন।

২৯ জানুয়ারি আকাশপথে উত্তরাঞ্চল সফরে যান বিএনপি চেয়ারম্যান। এ সফরের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদী আমলের দীর্ঘ নির্বাসন শেষে প্রথমবারের মতো বগুড়ায় নিজ পৈতৃক ভিটায় পা রাখেন তিনি। সেখান থেকে বিকেলে রংপুরে গিয়ে জুলাই বিপ্লবে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেন এবং তার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরে রংপুরে নির্বাচনি সমাবেশে অংশ নেন। এরপর বগুড়ায় রাতযাপন শেষে ৩১ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইলে জনসভায় বক্তব্য দেন।

একদিন বিরতি দিয়ে ২ ফেব্রুয়ারি খুলনা ও যশোরে নির্বাচনি সমাবেশে অংশ নেন তারেক রহমান। পরে ৪ ফেব্রুয়ারি হেলিকপ্টারে বরিশাল স্টেডিয়ামে পৌঁছে সেখান থেকে গাড়িবহর নিয়ে নগরের বান্দ রোডের বেলস পার্কে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য দেন।

বরিশাল সফর শেষে হেলিকপ্টারে ফরিদপুর গিয়ে জনসভায় অংশ নেন তিনি। এরপর গত শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দ্বিতীয় দফায় উত্তরবঙ্গ সফরে যান বিএনপি চেয়ারম্যান। এই সফরে ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী হয়ে দিনাজপুরে জনসভা করেন। সর্বশেষ গত রবি ও সোমবার ঢাকার ১৫টি স্থানে নির্বাচনি জনসভায় অংশ নেন তারেক রহমান।

ফন্ট সাইজ:
0Shares

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

TOP
SECURITY ALERT
🛡️
“কেরানীগঞ্জের কণ্ঠ”
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। এটি একটি AI ভিত্তিক কনটেন্ট প্রোটেক্ট সিস্টেম যা আপনার কার্যকলাপ মনিটর করছে। ভবিষ্যতে অনুমতি ছাড়া কপি করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে।